বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। ৩০ লাখ শহীদের র/ক্তে/র বিনিময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যু/দ্ধ করে এই দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। তবে স্বাধীনতার পর থেক এখনও এই দুই দেশের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়নি। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এবং বাংলাদেশীদের জন্য পাকিস্তানের ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্র/ত্যা/হা/র করেছে দেশটি। এবং এই একই সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশের কাছে।
বাংলাদেশকে অতীত, অর্থাৎ স্বাধীনতার আগে দ/ম/ন-পী/ড়/নে/র ইতিহাস ভুলে নতুন করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শুরুর আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটি জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই বাংলাদেশিদের জন্য সবধরনের ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্র/ত্যা/হা/র করেছে ইসলামাবাদ, বিনিময়ে বাংলাদেশের কাছ থেকেও একই সুবিধা চায় তারা। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ দাবি জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের নতুন রাষ্ট্রদূত ইমরান আহমেদ সিদ্দিকি। ঢাকায় পাকিস্তানের হাইকমিশন এক বিবৃতিতে বলেছে, সকল পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে রাজি হয়েছে দুই পক্ষ।

বৈঠক শেষে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমরান আহমেদ সিদ্দিকি বলেন, পাকিস্তানিদের জন্য বাংলাদেশের বি/ধি/নি/ষে/ধ এখনও ব/হা/ল রয়েছে। একারণে আমি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে (শাহরিয়ার আলম) জানিয়েছি, আমাদের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। ১৯৭১ সালে টানা নয় মাস পাকিস্তানিদের সঙ্গে যু/দ্ধ শেষে জয়/লা/ভ করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, জ/ন্ম নেয় স্বাধীন-সার্বভৌম নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। এতে সহযোগিতা করেছিল পাকিস্তানের চি/র/শ/ত্রু ভারত। শুরু থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শীতল। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ একাত্তরের যু/দ্ধা/প/রা/ধী/দে/র বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল চালু করলে বি/রো/ধ আরও তী/ব্র হয়।

তবে আল জাজিরার বিশ্লেষকরা বলছেন, অভিন্ন নদীর পানি ভাগাভাগি, সীমান্তে নি/র/স্ত্র বাংলাদেশি হ/ত্যা, বি/ত/র্কি/ত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সি/এ) পাসের মতো বিষয়গুলোতে ভারতের ’পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাব’-এর কারণে সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আগ্রহী হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। গত বছরের জুলাইয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফোন করেন। গত বৃহস্পতিবারও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ফোন করেছেন পাকিস্তানি দূত। তাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়েই আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। উভয়পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা আন্তঃপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৈঠকে সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে সবশেষ এধরনের বৈঠক হয়েছিল ১০ বছর আগে।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ভাবে বেশ সফলতা অর্জন করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের এই সফলতা প্রসঙ্গে পাকিস্তানের পার্লামেন্টেও বেশ কয়কেবার অনেক কথা উঠেছে বিভিন্ন গনমাধ্যমে তা প্রকাশ পেয়েছে। এমনকি পাকিস্তানের কয়েকজন মন্ত্রীরাও আক্ষেপ করে জানিয়েছে পাকিস্তান বাংলাদেশ হলে ভাল হতো।