বর্তমান সময়ে দেশের উন্নয়নের জন্য নানা ধরনের প্রকল্প চালু রয়েছ। তবে প্রায় সময় এই সকল প্রকল্পের নানা অনিয়মের কর্মকান্ড প্রকাশ্যে উঠে আসছে। কিছু অসাধু ব্যক্তিরা এই সকল উন্নয়ন প্রকল্প গুলোতে অনিয়ম করছে। এবং হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমানের অর্থ। সম্প্রতি এমনি এক অনিয়মের কর্মকান্ড উঠে এসেছে।
আরিচা-কাজীরহাট নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালু করতে ফেরিতে যানবাহন লোড-আনলোডের জন্য ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এপ্রোচ সড়কটি বাঁশ দিয়েই নির্মাণ করা হচ্ছে। জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর পর পাবনাসহ উত্তরাঞ্চলের ১০টি জেলার মানুষের ভোগান্তি লাঘবে আরিচা-কাজীরহাট নৌ-রুটে ফেরি সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ-বন্দর কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। চলতি মাসেই আরিচা-কাজীরহাট নৌ-রুটে ফেরি চলাচল শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ লক্ষে পুরোদমে চলছে ফেরিঘাট নির্মাণ কাজ। চলছে নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রম। সেই সাথে ফেরিতে যানবাহন লোড-আনলোডের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে এপ্রোচ সড়ক।

মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এপ্রোচ সড়ক নির্মাণে প্রথমে বালুর বস্তা ফেলে তার উপর বাঁশ দিয়ে মাচা তৈরি করা হয়েছে। সেই মাচায় ছয় ইঞ্চি ফাঁক ফাঁক করে বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র সহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম দাবি করেন, ফেরিঘাট নির্মাণে সিডিউল ও ডিজাইন অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ফেরিঘাট নির্মাণ, সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হবে। এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন পাঠানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

প্রায় সময় দেশের বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে সড়ক এবং দালনকোঠা নির্মানে অনিয়মের কর্মকান্ড। সম্প্রতি আরিচা-কাজীরহাট নৌ-রুটে এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ন সড়কটি বাঁশ দিয়েই নির্মাণ করা হচ্ছে। এদিকে প্রকৌশলী শাহ আলম জানিয়েছে নিয়ম অনুযায়ী কাজ হচ্ছে।