বর্তমান সময়ে বিএনপি দলের চেয়ারপারসন এবং ভাইস চেয়ারম্যান সহ দলীয় নেতাকর্মীরা অসংখ্য মামলার শিকার হয়েছেন। এমনকি অনেকেই মামলার শিকার হয়ে সাজা প্রাপ্ত হয়ে কা/রা/গা/রে বন্ধি জীবন-যাপন করছেন। সম্প্রতি নতুন করে দুটি মামলায় আদালত বিএনপি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে গ্রে/প্তা/রি পরো/য়া/না জা/রি করেছে।
নড়াইলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে গ্রে/প্তা/রি পরো/য়া/না জা/রি করা হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে নড়াইলে দায়ের করা পৃথক দুটি মানহানি মা/ম/লা/য় এই গ্রে/প্তা/রি পরো/য়া/না জা/রি করা হয়। নড়াইল সদর আমলি আদা/ল/তে/র বিচা/র/ক আমাতুল মোর্শেদা এ পরো/য়া/না জা/রি করেন। মা/ম/লা/র সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার একটি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেগম খালেদা জিয়া স্বাধীনতা যু/দ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বি/রূ/প মন্তব্য করেন। এ ঘটনায় ক্ষু/ব্ধ হয়ে মা/ম/লা/টি করেন শেখ আশিক বিল্লাহ। এক কোটি টাকা মানহানি হয়েছে মর্মে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর নড়াইল আ/ম/লি আ/দা/ল/তে তিনি মা/ম/লা/টি দায়ের করেন। একই বছরের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার একটি অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে বি/রূ/প মন্তব্য করার অভিযোগে ২৯ ডিসেম্বর আরেকটি মা/ন/হা/নি মা/ম/লা করেন শেখ আশিক বিল্লাহ। মা/ম/লা দুটির স/ম/ন জা/রি হয়ে ফেরত আসায় এবং আসামিরা আ/দা/ল/তে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রে/প্তা/রি পরো/য়া/না জা/রি করেন নড়াইল সদর আ/ম/লি আ/দা/ল/তের বি/চা/রক আমাতুল মোর্শেদা।

দীর্ঘ সময় ধরে শোচনীয় অবস্থায় রয়েছে বিএনপি দল। এমনকি বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন এবং নীপিড়নের শিকার হচ্ছে দলীয় নেতাকর্মীরা। তবে দলটি চলমান সকল সংকট নিরসনের জন্য আপ্রান ভাবে চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে দলীয় নেতাকর্মীরা গ্রহন করেছেন নানা ধরনের পদক্ষেপ।