এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবীদ। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতির সঙ্গে সক্রীয় ভূমিকায় রয়েছেন। এমনকি বর্তমান সময়ে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বিএনপি’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি তার পেছনের অজানা গল্প উঠে এসেছে প্রকাশ্যে।
বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এবং তার এক সহযোগীকে গ্রে/প্তা/র করেছে র‌্যা/ব। গতকাল বিকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রে/প্তা/র করা হয়। নিপুণ রায় চৌধুরী, পেশায় আইনজীবী। রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ ও বিয়ে হওয়ায় তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রাজনীতিতে সক্রিয়। ইডেন কলেজের সাবেক এই ছাত্রী রাজনীতিতে সক্রিয় হন ছাত্রজীবন থেকেই। পরিবার থেকেই নিপুনের রাজনীতির হাতে খঁড়ি এমনটা বলছিলেন তার বাবা নিতাই রায় চৌধুরী। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায়। একই সঙ্গে তিনি কেরানিগঞ্জ দক্ষিণ শাখা বিএনপির সভাপতি। নিপুণের শ্বশুর সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। স্বামী অমিতাভ রায় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। স্ত্রী, বাবা ও শ্বশুর রাজনীতিতে থাকলেও তা থেকে দুরে রয়েছেন অমিতাভ রায়।

এদিকে নিপুণের বাবা অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, যিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী। নিপুনের দুই ভাই ব্যারিস্টার। বাবা ও শ্বশুর রাজনীতিতে থাকায় অনেক সহজেই তিনি উঠে এসেছেন এমন ধারণা দলের অনেক নেতাকর্মীদের। তবে মাঠের রাজনীতিতেও তার অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই বলে মানছেন বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। মি/ছি/ল মি/টিং কিংবা সভা সমাবেশ সর্বত্রই তার সমান উপস্থিতি। দিন কি রাত, সকাল কি সন্ধা দলের সকল কর্মসূচিতে দেখা গেছে নিপুণ রায়কে। তার এই কর্মচঞ্চলতা রাজনীতিতে এগিয়ে নিয়েছে অনেকটা পথ।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়ার প্রতিবাদে নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত হয় কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচি। সেখানে দেখা যায় নিপুণকে। গরম জলে ভিজেও যেন ক্ষান্ত হননি তিনি। কিছুক্ষণ পর অসুস্থ হয়ে পড়লে নেওয়া হয় হাসপাতালে। এরপরও বহু মি/ছি/ল মি/টিং সভা সমাবেশে সক্রিয় ভুমিকা রেখেই চলেছেন নিপুণ। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বেশ কিছু ঝঁটিকা মিছিল ও বি/ক্ষো/ভ মি/ছি/লেও দেখা গেছে তাকে।

দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মোদির বাংলাদেশ সফরের বি/রো/ধি/তা করেছে বাংলাদেশের অনেকেই। এবং মোদি বি/রো/ধী আন্দোলনে রাজপথে নেমেছে হে/ফা/জ/ত ইস/লা/ম। এমনকি এই আ/ন্দো/ল/নে ব্যপক হ/তা/হ/তে/র ঘটনা ঘটেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুই দিনের হ/র/তা/লে/র ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এছাড়াও বেশ কিছু কর্মসূচি ঘোষনা করেছে তারা। তবে এই আন্দোলনকে ঘিরেই বেশ বিপাকে পড়েছেন এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।