বাংলাদেশের বহুল আলোচিত নাম শামীমা নূর। তিনি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ছায়াতলে থেকে দীর্ঘ দিন ধরে নানা ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। এবং এই সকল অপরাধ কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে তিনি অর্জন করেছেন বিপুল পরিমানের অর্থ। সরকার মা/দ/ক ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘষনা করেছে। ঐ সময় প্রশাস/নে/র মা/দ/ক বিরোধী অভিযানে প্রকাশ্যে উঠে এসেছে শামীমা নূর। এবং তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। আজ তার বিরুদ্ধে করা অ/স্ত্র আইনে মাম/লার রায় দিয়েছে আদা/লত।
নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পা/পি/য়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অ/স্ত্র আ/ই/নে করা মাম/লায় ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অ/স্ত্র আ/ই/নে/র আরেক ধারায় তাদের সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদা/লত। দুই ধারার কারা/দণ্ড একই সঙ্গে চলবে বলে আদেশে উল্লেখ করেছেন বিচা/রক। রায় ঘোষণার পর আদালতের কাঠগড়ায় কাঁদতে দেখা যায় পাপি/য়া/কে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে তাদের আ/দা/লতে নেয়া হয়। রায় পড়ার সময় পা/পি/য়া নীরব ছিলেন। বিচারক যখন তাদের কারাদণ্ডের আদেশ দেন তখন পাপিয়া কাঁদতে থাকেন। এরপর পুলিশ সদস্যরা তাকে কাঠ/গড়া থেকে প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যান। গত ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশত্যাগের সময় পা/পি/য়াসহ চার/জনকে গ্রেফ/তার করে র‌্যা/ব। গ্রেফ/তার অন্য/রা হলেন- পা/পি/য়া/র স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন (৩৮), সাব্বির খন্দকার (২৯) ও শেখ তায়্যিবা (২২)।

তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, নগদ দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ ইউএস ডলারসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। গ্রেফ/তা/রে/র পর ওইদিন রাতেই নরসিংদীর বাসায় এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে হোটেল ওয়েস্টিনে তাদের নামে বুকিং করা বিলাসবহুল প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে অভিযান চালানো হয়। এছাড়া ফার্মগেট এলাকার ২৮ নম্বর ইন্দিরা রোডে অবস্থিত রওশন’স ডমিনো রিলিভো নামক বিলাসবহুল ভবনে তাদের দুটি ফ্ল্যাটে অভি/যান চালিয়ে একটি বিদে/শি পি/স্ত/ল, দুটি পি/স্ত/লে/র ম্যা/গা/জি/ন, ২০ রা/উ/ন্ড পি/স্ত/লে/র গু/লি, পাঁচ বো/ত/ল বিদেশি ম/দ ও নগদ ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, পাঁচটি পাসপোর্ট, তিনটি চেক, বিদেশি মুদ্রা, বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি ভিসা ও এটিএম কার্ড জব্দ করে র‌্যা/ব। ওই ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থা/না/য় অ/স্ত্র আইনে একটি, বিশেষ ক্ষমতা আ/ই/নে একটি এবং বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা করা হয়।

গত ২৯ জুন ঢাকা মহানগর হা/কি/ম আদালতে মা/ম/লার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) র‌্যাবের উপ-পরিদর্শক আরিফুজ্জামান অস্ত্র আইনে মামলায় পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুরের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২৩ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ পা/পি/য়া ও তার স্বামী মফিজুরের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। ৩১ আগস্ট মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ১২ সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনই আদা/লতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, রাজনীতির ছত্র ছায়ায় থেকে অনেকেই নানা ধরনের অন্যায় কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। তাদের এই সকল অপ/রাধ কর্ম/কান্ডের মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক দল গুলো নানা ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকে। শামীমা নূর ছাড়া আরও অনেকেই রয়েছে যারা রাজনীতির ছত্র ছায়ায় অপ/রাধ কর্ম/কান্ড পরিচলনা করছে। তবে সরকার সকল অপ/রাধ কর্ম/কান্ড শক্ত হাতে দমনের জন্য নানা ধরেনর পদক্ষেপ গ্রহন করেছে।