প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তি সহ সরকারি বেসরকারি এছাড়াও বিভিন্ন পেশার অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থ পা/চা/র করে থাকে। তারা নিজ ব্যক্তি স্বার্থে দেশ ও জাতির ক্ষতি করছে। বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধেও বিদেশে অ/র্থ/পা/চা/রে/র অভিযোগ উঠেছে। এদিকে আজ এই প্রসঙ্গে এস কে সিনহার ভাই নরেন্দ্র কুমার সিনহা এবং ভাতিজা শঙ্খজিৎ সিংহ স্বাক্ষ্য দিতে না আসায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রে/ফ/তা/রি পরো/য়া/না জারি করেছে উচ্চ আ/দা/লত।
অর্থ আ/ত্ম/সা/তে/র মামলায় প/লা/ত/ক সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ভাই ও তার ভাতিজার বিরুদ্ধে গ্রে/ফ/তা/রি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ আদেশ দেন। আ/দা/ল/তে/র সমন জারির পরও এস কে সিনহার ভাই নরেন্দ্র কুমার সিনহা এবং ভাতিজা শঙ্খজিৎ সিংহ স্বাক্ষ্য দিতে না আসায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রে/ফ/তা/রি পরোয়ানা জারি করেন বিচারক। ব্যাংকের টাকা আ/ত্ম/সা/তে/র ঘটনায় দুদকের করা মামলায় এস কে সিনহাসহ ১২ জন আ/সা/মি/র বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মামলার ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। বাকি রয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ। গত বছরের ১০ জুলাই ফারমার্স ব্যাংক থেকে চার কোটি টাকা আ/ত্ম/সা/ৎ ও পা/চা/রে/র অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মা/ম/লা করেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

এসকে সিনহা ছাড়া মামলার অপর আ/সা/মি/রা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, ব্যাংক গ্রাহক টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়। ফারমার্স ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ার কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। ব্যবসায়ী শাহজাহান ও নিরঞ্জন ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে ৪ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছিলেন। সেই টাকা রণজিৎ চন্দ্র সাহার হাত ঘুরে বিচারপতি সিনহার বাড়ি বিক্রির টাকা হিসেবে দেখিয়ে তার ব্যাংক হিসেবে ঢুকেছে বলে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নামে দুদক।

এদিকে বিদেশে অ/র্থ পা/চা/র রোধে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার নানা ধরনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। ইতিমধ্যে দেশে দূর্নীতি ও মা/দ/কে/র বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি ঘোষনা দিয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দেশে দূর্নীতি ও মা/দ/কে/র সঙ্গে জড়িত অসংখ্য ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। এছাড়াও অনেকেই রয়েছে তারা দূর্নীতি করে দেশে-বিদেশে গড়ে তুলেছে সম্পদের পাহাড়। তবে একে একে এই সকল অ/প/রা/ধী/দে/র আ/ট/ক করে বিচারের আওতায় আনার জন্য আপ্রান ভাবে কাজ করছে সরকার।