দেশে-বিদেশে বেশ কিছু দিন ধরে আালোচনার শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। তার বিরুদ্ধে অ/র্থ ও মা/ন/ব পা/চা/রে/র অভিযোগ উঠেছে। এদিকে দেশে তার সকল সম্পদের খোঁজে নেমেছে দুদক। এবং বিপুল পরিমানের সম্পদের খোঁজ পেয়েছে। এমনকি এই অর্থ পা/চা/রে/র অভিযোগে পাপুলের স্ত্রী-কন্যা এবং শালীও বেশ বিপাকে পড়েছে। আজ আদালত পাপুলের স্ত্রী-মেয়েকে ১০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও টাকা পাচারের মামলায় কুয়েতে গ্রে/ফ/তা/র লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী সাংসদ সেলিনা ইসলাম ও মেয়ে ওয়াফা ইসলামকে ১০ দিনের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম। জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার ও আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

এর আগে গত ২৬ নভেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জন ও টাকা পাচারের মামলায় কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম ও মেয়ে ওয়াফা ইসলাম হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। গত ১১ নভেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে দুই কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ ও ১৪৮ কোটি টাকা পা/চা/রে/র অভিযোগে পাপুল ও তার স্ত্রী সেলিনাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মা/ম/লা করেন। মা/ম/লা/র অন্য আ/সা/মি/রা হলেন- পাপুলের মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও সেলিনার বোন জেসমিন প্রধান। অর্থ ও মান/ব/পা/চা/রে/র অভিযোগে কুয়েতের কা/রা/গা/রে আছেন পাপুল। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কাজী শহীদুল ইসলাম পাপুলের বি/রু/দ্ধে মা/ন/বপা/চা/রস/হ জ্ঞা/ত আয়/ব/হি/র্ভূ/ত উপায়ে শত শত কোটি টাকা অর্জন করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পা/চা/রে/র অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

বর্তমান সময়ে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল কুয়েতের কা/রা/গা/রে বন্ধি রয়েছেন। এমনকি কুয়েত সরকার তার সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও কুয়েতে তার নিয়ন্ত্রিত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থগিত করেছে কুয়েত সরকার।