বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও গনতান্ত্রীক দেশ। গনতান্ত্রীক দেশে জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকে দেশের রাষ্ট্র প্রধান। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশর নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি রয়েছে নানা অনিয়মের অভিযোগ। তবে সম্প্রতি প্রফেসর ড. আলী রীয়াজের লেখা `বাংলাদেশ: আ পলিটিক্যাল হিস্ট্রি সিন্স ইন্ডিপেন্ডেন্স’ বইয়ের উদ্ধৃতি নিয়ে বেশ কিছু কথা উঠে এসেছে প্রকাশ্যে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ তার লেখা `বাংলাদেশ: আ পলিটিক্যাল হিস্ট্রি সিন্স ইন্ডিপেন্ডেন্স’ বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, মানুষ ইলেকশন চায়, ফ্রি ইলেকশন চায়, পার্টিসিপেশন চায়, তারা নিজেদের ভয়েসটা দেখতে চায়৷ তিনি ডয়চে ভেলের ইউটিউব টকশো ’খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’ এ অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। প্রফেসর রীয়াজের মতে, ১৯৯১ পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশের যথেষ্ট সুযোগ থাকলেও তা হয়ে উঠেনি৷ একটি দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য যে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রয়োজন তা গড়ে উঠেনি৷ প্রফেসর রিয়াজের এমন দাবির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যতটা উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বিকশিত হয়েছে৷ দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিদ্যমান আছে দাবি করে ড, মাহমুদ বলেন, এ দেশে সামরিক বাহিনীর পোশাক পরিহিত অবস্থায়ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঘটনা ঘটেছে৷ দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিদ্যমান আছে দাবি করে ড. সেলিম আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের আগে প্রবর্তিত একদলীয় শাসনব্যবস্থাও ছিল সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক৷ অনুষ্ঠানে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, কিশোর কার্টুনিস্ট ও সাংবাদিক কাজলকে আটকের ঘটনাতেই বুঝা যায় গণমাধ্যম কতটা স্বাধীনতা ভোগ করছে৷

গনতন্ত্র রক্ষার জন্য সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন বিক্লপ নেই। সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপর ভিত্তি করে দেশের গনতন্ত্র নির্ভর করে। বর্তমান সময়ে দেশের সুশীল সমাজের অনেকেই বর্তমান সরকারের কাছে গনতন্ত্র রক্ষায় প্রায় সময় সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে।

Sites