বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের সভানেত্রী। তিনি এক টানা তিন বার বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত কারার জন্য নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এবং বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এবং বিশ্বের অনেক দেশের নিকট থেকে সুনাম কুঁড়িয়েছে বাংলাদেশ।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়ে চীনের পাশে থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এক চিঠিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেসসচিব আশরাফ সিদ্দিকী বিটু এ তথ্য জানিয়েছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণে প্রাণহানির ঘটনায় শোক ও সমবেদনা জানিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে চিঠি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিপর্যস্ত চীনের জন্য মাস্ক, গাউন, ক্যাপ, হ্যান্ড গ্লোভ ও স্যানিটাইজারসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ’সহমর্মিতামূলক সহায়তা’ হিসেবে দেশটির জন্য এসব সামগ্রী পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

ওই চিঠির জবাবে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ফিরতি চিঠিতে শি জিনপিং বলেছেন, ’করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়ে বাংলাদেশ চীনের পাশে থাকায় চীন সরকার এবং চীনা জনগণের পক্ষে, আমি সরকার কর্তৃক বন্ধুত্বপূর্ণ অনুভূতির প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই এবং বাংলাদেশের জনগণ চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, যা আপনার চিঠিতে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, তার জন্য আমরা আপনাকে (প্রধানমন্ত্রীকে) আন্তরিক ধন্যবাদ জানায়।’ চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, সমগ্র জাতির প্রচেষ্টা এবং বন্ধু দেশগুলোর সহযোগিতায় আমরা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পেরেছি। আপনাদের সাহায্যের এই প্রচেষ্টাটির জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।’

উল্লেখ্য, চীন দক্ষিন এশিয়ার অর্ন্তভূক্ত দেশ। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সুসম্পর্ক রয়েছে। এই দুই দেশ নিজ প্রয়োজনে অনেক ধরনের পন্য আমদানি-রফতানি করে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে চীনের নতুন একটি ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে। এই ভাইরাস নিরসনের জন্য চীন সরকার নানা ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এবং বাংলাদেশ সরকার ও চীনকে নানা ভাবে সাহায্য- সহযোগিতা করছে।