বিশ্বের বেশ কিছু দেশের মত বাংলাদেশও প্রাননাশকারী করোনা ভাইরাস থেকে পরিত্রান পেতে ভ্যাকসিনের ব্যবহার শুরু হয়েছে। তবে এখনও দেশের সকলকেই টিকা আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। তবে আপ্রান ভাবে বাংলাদেশ সরকার টিকার পরিধি বিস্তার করতে আপ্রান ভাবে চেষ্টা করছে। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
পরীক্ষা ও আবাসিক হল খোলার ব্যাপারে সরকারের নেয়া সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্লাস শুরু হবে আগামী ২৪শে মে। তার এক সপ্তাহ আগে ১৭ই মে আবাসিক হল খুলে দেয়া হবে। ২৪শে মের আগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কোনো পরীক্ষা হবে না। শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভা ডাকেন ভিসি মো. আখতারুজ্জামান৷ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে কাউন্সিলের জরুরি সভা চলে। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে ভিসি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে একাডেমিক কাউন্সিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা টিকা দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে, একাডেমিক কাউন্সিল এর ভূয়সী প্রশংসা করে এবং আন্তরিক ধন্যবাদ জানায়। ১৭ই মের কত দিন আগে টিকা কার্যক্রমের প্রথম ডোজ শেষ করতে হবে, একাডেমিক কাউন্সিলে বিশেষজ্ঞ সদস্যরা সে বিষয়েও মতামত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রথম ডোজের চার সপ্তাহ পরে ইমিউনিটি হয়। তাই একাডেমিক কাউন্সিল সরকারের প্রতি অনুরোধ ও বিনম্র আহ্বান জানিয়েছে, ১৭ই এপ্রিলের মধ্যে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে টিকার প্রথম ডোজের আওতায় আনা হয়। সেটি হলে ১৭ই মে থেকে তারা শিক্ষার্থীদের হলে ওঠাতে পারেন।

দীর্ঘ দিন ধরে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শিকক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। ধাপে ধাপে বেশ কয়েকবার এই ছুটির সময় বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি আবারও বৃদ্ধি হয়েছে এই ছুটির সময়।