বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিজ প্রয়োজনে অন্যান্য অনেক দেশ থেকে নানা ধরনের পন্য আমদানি-রফতানি করে থাকে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশও। তবে গত একদশকের বেশ সময়ে ধরে দক্ষিন এশিয়ার বেশ কয়কেটি দেশকে পিছনে এফেলে রফতানিতে ব্যপক সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এমনকি বাংলাদেশের রফতানির পরিমান ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষ প্রতিবেদনে মাইক বার্ড লিখেছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হতে যাচ্ছে। শুরুতেই তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সুপারিশ পেয়েছে দেশটি, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বাংলাদেশ হয়ে দাঁড়িয়েছে উন্নয়নের মডেল। উন্নত দেশে পরিণত হতে দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভিয়েতনাম যে স্তরগুলো অতিক্রম করেছে, তাই দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও।
মাইক লিখেছেন, রপ্তানিভিত্তিক অর্থনীতি যে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ে উন্নীত হতে সাহায্য করে, বাংলাদেশ তার উদহারণ। আর এই রপ্তানির প্রধানতম শক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। গত এক দশকে বাংলাদেশের রপ্তানি ৮০ শতাংশ বেড়েছে, যখন ক্রমেই পেছনের দিকে গেছে ভারত ও পাকিস্তান।

২০১১ সালের রেকর্ড টেনে মাইক বার্ড তার রিপোর্টে বলেন, ডলারের হিসেবে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বাংলােদেশের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি ছিলো। গত বছর, ২০২০ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে টপকে গেছে বাংলাদেশ। অতিমহামারির অতিমন্দায় এমনটি ঘটেছে, এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু মাইক বার্ড আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বরাতে লিখেছেন, ব্যবধানটা আরো কিছুদিন থাকবে। উন্নয়নের বর্তমান অবস্থায় বাংলাদেশকে পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের হার বাড়াতে হবে। বাড়াতে হবে পণ্যের বহুমুখীকরণ। সেই সঙ্গে এশিয়ার সাপ্লাই চেইনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে হবে, পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিবেদক মাইক বার্ড।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ দক্ষিন এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে সফলতার শীর্ষে। এমনকি স্বল্পনোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেড়িয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। অবশ্যে এই উন্নয়নীল দেশের তালিকায় চুড়ান্ত ভাবে স্বীকৃতি পেতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশকে। তবে বাংলাদেশ সরকার এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে বিশেষ ভাবে কাজ করছে।
গত এক দশকে ভারত-পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে নতুন রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ
Logo
Print

Thursday, 04 March 2021 বিশেষ প্রতিবেদন

 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নিজ প্রয়োজনে অন্যান্য অনেক দেশ থেকে নানা ধরনের পন্য আমদানি-রফতানি করে থাকে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশও। তবে গত একদশকের বেশ সময়ে ধরে দক্ষিন এশিয়ার বেশ কয়কেটি দেশকে পিছনে এফেলে রফতানিতে ব্যপক সফলতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এমনকি বাংলাদেশের রফতানির পরিমান ৮০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষ প্রতিবেদনে মাইক বার্ড লিখেছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হতে যাচ্ছে। শুরুতেই তিনি বলেন, এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সুপারিশ পেয়েছে দেশটি, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। দক্ষিণ এশিয়ার জন্য বাংলাদেশ হয়ে দাঁড়িয়েছে উন্নয়নের মডেল। উন্নত দেশে পরিণত হতে দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভিয়েতনাম যে স্তরগুলো অতিক্রম করেছে, তাই দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও।
মাইক লিখেছেন, রপ্তানিভিত্তিক অর্থনীতি যে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ে উন্নীত হতে সাহায্য করে, বাংলাদেশ তার উদহারণ। আর এই রপ্তানির প্রধানতম শক্তি তৈরি পোশাক শিল্প। গত এক দশকে বাংলাদেশের রপ্তানি ৮০ শতাংশ বেড়েছে, যখন ক্রমেই পেছনের দিকে গেছে ভারত ও পাকিস্তান।

২০১১ সালের রেকর্ড টেনে মাইক বার্ড তার রিপোর্টে বলেন, ডলারের হিসেবে ভারতের মাথাপিছু জিডিপি বাংলােদেশের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি ছিলো। গত বছর, ২০২০ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে টপকে গেছে বাংলাদেশ। অতিমহামারির অতিমন্দায় এমনটি ঘটেছে, এটি দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু মাইক বার্ড আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বরাতে লিখেছেন, ব্যবধানটা আরো কিছুদিন থাকবে। উন্নয়নের বর্তমান অবস্থায় বাংলাদেশকে পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজনের হার বাড়াতে হবে। বাড়াতে হবে পণ্যের বহুমুখীকরণ। সেই সঙ্গে এশিয়ার সাপ্লাই চেইনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে হবে, পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিবেদক মাইক বার্ড।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ দক্ষিন এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে সফলতার শীর্ষে। এমনকি স্বল্পনোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেড়িয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। অবশ্যে এই উন্নয়নীল দেশের তালিকায় চুড়ান্ত ভাবে স্বীকৃতি পেতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশকে। তবে বাংলাদেশ সরকার এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে বিশেষ ভাবে কাজ করছে।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.