গোটা পৃথিবী জুড়ে অসংখ্য মানুষ রয়েছে। এবং এই সকল মানুষদের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের মধ্যেই আচার-আচারনেও রয়েছে ভিন্নতা। তবে গবেষকরা এই সকল বিষয়ে নানা ধরনের গবেষনা কার্য পরিচালনা করছে। এরই ভিত্তিতে সম্প্রতি এক দল গবেষকরা একগুঁয়ে বাচ্চাদের পেশাজীবন প্রসঙ্গে নতুন তথ্য দিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, একগুঁয়ে বাচ্চারাই বড় হওয়ার পর পেশাজীবনে সফল হয় বেশি। ছয়জন বিজ্ঞানী ৯ থেকে ৪০ বছর বয়সী ৭০০’রও বেশি মানুষের ওপর এই জরিপ চালান। ডেভেলপম্যান্ট সাইকোলজি জার্নালে ২০১৫ সালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। গবেষকরা জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নিয়ম ভাঙ্গার প্রবণতা, অধিকারের বোধ, বাবা-মায়ের সঙ্গে স্পর্ধা দেখানোর প্রবণতা এবং তারা পড়াশোনায় কতটা সময় ব্যয় করেছিলেন তাতে বিশেষ মনোযোগ দেন গবেষণাকারীরা।

গবেষণা শেষে গবেষকরা জানান, যারা শিশু বয়সে অভিভাবকদের অবাধ্য ছিল পেশাজীবনে এসে তারাই বেশি বেতনের চাকরি করছে।তবে অবাধ্য হওয়ার সঙ্গে বেশি বেতনের সম্পর্কটা কোথায় সেটির ব্যাখ্যা দিতে পারেননি গবেষকরা। জরিপে অংশ নেওয়া নিয়মভাঙা এই ব্যক্তিরা বেশি বেতনের চাকরি করছে কারণ শিক্ষাজীবন থেকেই তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ছিল এবং এরফলে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চাকরির বাজারে তাদের চাহিদা বেড়ে যায়। তবে অর্থোপার্জনের জন্য এই শ্রেণির ব্যক্তিদের কারও কারও যে অসৎ পথে পা বাড়ানোর সম্ভাবনাও আছে জরিপে সেটিও নাকচ করে দেননি গবেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষনায় উঠে এসেছে একগুঁয়ে বাচ্চারাই পেশাজীবনে সফল হয় বেশি। মূলত দেশটির ৬ জন বিজ্ঞানী ৯ থেকে ৪০ বছর বয়সী প্রায় ৭০০ এর বেশি মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে এমন তথ্য দিয়েছে।