ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বাংলসাদেশের বহুল আলোচিত ও সুপরিচিত মুখ। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে তার অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। এছাড়াও তিনি স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ’গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের’ প্রতিষ্ঠাতা। সম্প্রতি বেসরকারী টেলিভিশন নিউজ ২৪ এর টকশো অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমান ও বঙ্গবন্ধু প্রসঙ্গে বেশ কিছু কথা তুলে ধরেছেন।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু হ/ত্যা/র পরবর্তী সময়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান আমাকে মন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন। আমি সেদিন রাজি হইনি। উনাকে বলেছিলাম, স্বাধীনতা আন্দোলনের বি/রো/ধী শাহ আজিজুর রহমান, শফিউল আজমের মতো লোক যদি রাখেন আপনারা। তাদের পাশে আমি থাকতে পারি না। এবং আমি সেদিন থাকিও নাই। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মহা/নু/ভ/ব/তার কারণে স্বাধীনতা পর এদেরকে হ/ত্যা করার নির্দেশ তিনি দেননি। এদের থাকা-খাওয়ার পয়সা দিয়েও সাহায্য করেছেন। ফজলুল কাদের চৌধুরী স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন। উনাকে দেখতে বঙ্গবন্ধু জে/ল/খানা পর্যন্ত গিয়েছিলেন। জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আজকে প্রকৃত রাজনীতিবিদরা ধাপে ধাপে উপরে উঠতে পারছে না। আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রীর সৎ-ইচ্ছা রয়েছে কিন্তু কতগুলো বিষয়ে তিনি ভুল করছেন।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রধানমন্ত্রী উচিৎ হবে বিরোধী দলকে কথা বলতে দেওয়া। যারা উনাকে পছন্দ করেন না তাদেরকেও নিয়ে বসা। এজন্য চা খরচের বাহিরে তেমন খরচ হবে না। এটা সরকারে নিজের প্রয়োজনেই করা উচিত।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ প্রতিষ্ঠাতা বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর মৃ/ত্যু/র কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী যখন দেখা করতে গিয়েছিলেন কিন্তু বেগম জিয়ার পরামর্শ দাতার উনাকে ভুল পরামর্শ দিয়েছেন। এক সময় যে ভুলগুলো খালেদা জিয়া করেছেন, সে ভুলগুলো এখন প্রধানমন্ত্রী করছেন। আমি উনাকে একটা খোলা চিঠিতে লিখেছিলাম আপনি ঈদের সময় বেগম জিয়াকে দেখতে যান, তিনি খুব অসুস্থ। উনাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, সেদিন এ ঘটনার পরে বেগম জিয়ার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। আমি উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী দেখা করতে আসলো, আপনি দেখা করলেন না কেনো? তিনি জবাবে বললেন, উনি পত্রিকার হেড লাইনের জন্য এটা করেছেন। আমি বললাম, উনি রাজনীতিবিদ হিসেবে সুবিধা নিতে চাইতেই পারেন। আমি তো মনে করি সেদিন পত্রিকার হেড লাইন আপনি হতে পারতেন, সেদিন নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী হয়তো বলতেন, আমি কি করতে পারি আপনার জন্য। তখন আপনি যদি বলতেন আমার তারেককে এক সপ্তাহের জন্য এনে দেন…..

দেশে প্রাননাশকারী কোভিড১৯ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এবং ইতিমধ্যে দেশের অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হয়েছে এবং অনেকেই প্রান হারিয়েছে। এই ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার নানা ধরেনর পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। সরকারের পাশাপাশি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে করোনার মোকাবিলায় বিশেষ ভাবে কাজ করছে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও তার প্রতিষ্ঠান ’গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র"।

Sites