প্রায় ১ বছরের বেশি সময় ধরে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ধাপে ধাপে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় বৃদ্ধি করেছিল বাংলাদেশ সরকার কোভিড১৯ ভাইরাসের সংক্রমন এড়াতে। তবে সম্প্রতি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার উদ্যেগ নিয়েছিল সরকার। কিন্তু হঠাৎ করেই আবারও করোনার বৃদ্ধি পাওয়ায় সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করে নতুন সময় জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা স্কুল কলেজগুলো খুলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এখন নয়, রোজার ঈদের পর আমরা স্কুল-কলেজ-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেব। রোববার (২৮ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ফেসমাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশবাসীর প্রতি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধির বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাগ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করব মাস্ক ছাড়া কেউ যাতে বাইরে না যায়, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে এবং প্রত্যেকটি সভা বা সিম্পোজিয়াম, সেমিনার বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সামাজিক দূরত্ব মেনে করতে হবে। যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় কর্মসূচি করতে হবে। ঘরের মধ্যে করলে করোনার প্রাদুর্ভাব আরও বেশি দেখা দেয়। এ সময় ভ্যাকসিন প্রদানও চলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়স্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশে একটি মানুষও আর গৃহহীন থাকবে না, তার সরকার সবাইকে ঘর করে দেবে। তিনি বলেন, আমরা প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি, যেগুলো বাকী আছে সেগুলোও করে দেব, শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শতভাগ গৃহকে আমরা আলোকিত করব। তিনি স্কুল-কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা স্কুল কলেজগুলো খুলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন হঠাৎ করে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াতে আমরা এখন নয়, রোজার ঈদের পর আমরা স্কুল-কলেজ-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেব।

আর এই ফাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসবের মেরামত লাগবে, সেসব কাজ ইত্যবসরে তার সরকার করে দেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ’পাশাপাশি দেশের উন্নয়নের কাজগুলো চলতে থাকবে, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যাতে অব্যাহত থাকে সে প্রচেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখব’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা ব্যবস্থা নানা ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। শুধু তাই নয় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রকম দুশ্চিন্তায় ভুগছে। অবশ্যে শুধু বাংলাদেশেই এমন পরিস্তিতি সৃষ্টি হয়নি। গোটা বিশ্ব জুড়েই এমন পরিস্তিতি বিরাজ করছে। এবং বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশ নিজ নিজ অবস্থানে থেকে এই ভাইরাস মোকাবিলায় বিশেষ ভাবে কাজ করছে।
অবশেষে চূড়ান্ত ভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সময় জানালেন প্রধানমন্ত্রী
Logo
Print

Monday, 29 March 2021 জাতীয়

 

প্রায় ১ বছরের বেশি সময় ধরে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ধাপে ধাপে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সময় বৃদ্ধি করেছিল বাংলাদেশ সরকার কোভিড১৯ ভাইরাসের সংক্রমন এড়াতে। তবে সম্প্রতি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার উদ্যেগ নিয়েছিল সরকার। কিন্তু হঠাৎ করেই আবারও করোনার বৃদ্ধি পাওয়ায় সিদ্ধান্তের পরিবর্তন করে নতুন সময় জানালেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা স্কুল কলেজগুলো খুলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এখন নয়, রোজার ঈদের পর আমরা স্কুল-কলেজ-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেব। রোববার (২৮ মার্চ) বিকেলে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ফেসমাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশবাসীর প্রতি তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধির বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাগ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করব মাস্ক ছাড়া কেউ যাতে বাইরে না যায়, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে এবং প্রত্যেকটি সভা বা সিম্পোজিয়াম, সেমিনার বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সামাজিক দূরত্ব মেনে করতে হবে। যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় কর্মসূচি করতে হবে। ঘরের মধ্যে করলে করোনার প্রাদুর্ভাব আরও বেশি দেখা দেয়। এ সময় ভ্যাকসিন প্রদানও চলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়স্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশে একটি মানুষও আর গৃহহীন থাকবে না, তার সরকার সবাইকে ঘর করে দেবে। তিনি বলেন, আমরা প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি, যেগুলো বাকী আছে সেগুলোও করে দেব, শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শতভাগ গৃহকে আমরা আলোকিত করব। তিনি স্কুল-কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা স্কুল কলেজগুলো খুলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখন হঠাৎ করে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াতে আমরা এখন নয়, রোজার ঈদের পর আমরা স্কুল-কলেজ-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেব।

আর এই ফাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসবের মেরামত লাগবে, সেসব কাজ ইত্যবসরে তার সরকার করে দেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ’পাশাপাশি দেশের উন্নয়নের কাজগুলো চলতে থাকবে, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যাতে অব্যাহত থাকে সে প্রচেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখব’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা ব্যবস্থা নানা ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। শুধু তাই নয় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন রকম দুশ্চিন্তায় ভুগছে। অবশ্যে শুধু বাংলাদেশেই এমন পরিস্তিতি সৃষ্টি হয়নি। গোটা বিশ্ব জুড়েই এমন পরিস্তিতি বিরাজ করছে। এবং বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশ নিজ নিজ অবস্থানে থেকে এই ভাইরাস মোকাবিলায় বিশেষ ভাবে কাজ করছে।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.