হঠাৎ করেই দেশে কোভিড১৯ ভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ দেখা দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভাইরাস মোকাবিলায় নানা ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে আগত সকল যাত্রীদের জন্যও দিয়েছেন নতুন নির্দেশানা।
করোনা ভাইরাসের সং/ক্র/ম/ণ রোধে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ১৪ দিন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এছাড়া সং/ক্র/ম/ণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত করতে এবং প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে বলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সোমবার (২৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে করোনা প্রতিরোধে মোট ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়। সেখানে এ কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সব ধরনের জনসমাগম (সামাজিক/ রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। উচ্চ সংক্রমণযুক্ত এলাকায় সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। বিয়ে/জন্মদিনসহ যে কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী খোলা বা উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। ওষুধের দোকানে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। গত বছর দেশে প্রথম দফার করোনা সং/ক্র/মণ শুরু হলে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করাসহ নানান ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। তবে এবার সং/ক্র/ম/ণ বাড়ায় সাধারণ ছুটি বা লকডাউন ঘোষণা করা না হলেও বেশ কিছু বিশেষ নির্দেশনা জারি করল সরকার।

অবশ্যে শুধু বাংলাদেশেই নয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে আবারও মারাত্মক আকার ধারন করেছে এই প্রাননাশকারী কোভিড১৯ ভাইরাসের সংক্রমন। তবে নতুন করে বিশ্বের সকল দেশই এই ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। এমনকি বেশ কয়েকটি দেশ নতুন করে লকডাউনের ও ঘোষনা দিয়েছে।